ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আগামীতে আরও দৃঢ় হবে

by bdnewsinsider

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শপথগ্রহণের পরে মোদীর সঙ্গে একান্তে কথা বলেন শেখ হাসিনা। এ দিনের বৈঠকে দুই প্রধানমন্ত্রীই সম্পর্ক আগামী দিনে আরও দৃঢ় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সেই সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীকে বাংলাদেশ সফর করার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক আগামী দিনে আরও দৃঢ় হবে বলে আশাবাদী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার, ওই শপথগ্রহণের পরে মোদীর সঙ্গে একান্তে কথাও বলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। ঢাকার আশা, দুদেশের মধ্যে যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আছে আগামী দিনে তা আরও গভীর হবে। 

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক

আগেই নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছিলেন যে তাঁর আশা বাংলাদেশের সঙ্গে সার্বিক সম্পর্ক আরও উন্নত হবে। একই সঙ্গে দুদেশের মধ্যে ‘ঐতিহাসিক সম্পর্ক’ আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান, গত দশ বছরে দুদেশের সম্পর্ক অনেক জোরালো হয়েছে। একই কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও।

তিনি জানান, হাসিনা এবং মোদী দুজনেই আশা করেন যে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামী দিনগুলিতে আরও গভীর হবে। দুদেশের মধ্যে থাকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দুই প্রধানমন্ত্রীও। হাছান মাহমুদ জানান, ওই বৈঠকে দুই প্রধানমন্ত্রীই নিজেদের মধ্যে থাকা সম্পর্ক আগামী দিনে আরও দৃঢ় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

বহুমুখী সম্পর্ক

রবিবার সন্ধ্যায় তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদী। তারপরেই সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে সঙ্গে নিয়ে মোদীর সঙ্গে একান্তে কথা বলেন শেখ হাসিনা। হাছান মাহমুদ জানান, সেই সময়েই নরেন্দ্র মোদীকে তাঁর সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফর করার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। দুদেশের মধ্যে বহুমুখী সম্পর্ক আছে।’ এ নিয়ে মোদী টানা তৃতীয়বার এবং হাসিনা চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘দুদেশের মধ্যে অনেক বিষয় জড়িত। যেহেতু একই সরকার দেশ পরিচালনা করছেন তাই একসঙ্গে কাজ করার কিছু সুবিধা আছে। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকার কারণে দুদেশেরই জনগণ বিভিন্ন দিক থেকে উপকৃত হচ্ছেন। আমাদের মধ্যে থাকা এই বহুমাত্রিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত এবং গভীর হবে।’

সোনিয়ার সঙ্গে হাসিনার সাক্ষাৎ

নরেন্দ্র মোদীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে গিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ করেন কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী, কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে। সোমবার, ঢাকা ফেরার আগেই এই সাক্ষাৎ হয় তাঁদের। কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে আলোচনায় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীর সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার উপর জোর দেওয়া হয়। তাঁরা আস্থা, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ বন্ধনকে শক্তিশালী করতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

একই লেখা

Leave a Comment